এনসিপি–জামাত জোট: একটি রাজনৈতিক আত্মহত্যার পথে যাত্রা
বাংলাদেশের রাজনীতি ইতিহাসে কিছু মুহূর্ত আসে, যেগুলোকে রাজনৈতিক বিজ্ঞানের ভাষায় বলা হয় window of opportunity—একটি সংক্ষিপ্ত সময়, যখন জনগণ পুরোনো […]
বাংলাদেশের রাজনীতি ইতিহাসে কিছু মুহূর্ত আসে, যেগুলোকে রাজনৈতিক বিজ্ঞানের ভাষায় বলা হয় window of opportunity—একটি সংক্ষিপ্ত সময়, যখন জনগণ পুরোনো […]
কয়েক দশক ধরে বাংলাদেশের মানুষ বিশ্বাস করত তাদের একটি পছন্দ আছে। প্রতিটি নির্বাচনী মৌসুমে তাদের বলা হতো দুটি দলের মধ্যে একটি বেছে নিতে—বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) এবং আওয়ামী লীগ। একটি প্রতিশ্রুতি দিত নিরাপত্তার, অন্যটি উন্নয়নের। একটি জড়িয়ে ছিল জাতীয়তাবাদে, অন্যটি মুক্তিযুদ্ধের উত্তরাধিকারে।
তারেক রহমানের দেশে ফেরা মানে শুধু “একজন নেতার ফেরা” নয়। এটি বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি, আঞ্চলিক শক্তির স্বার্থ, আন্তর্জাতিক কূটনীতি, আইনি ঝুঁকি, নিরাপত্তা এবং দলের ভেতরের ভারসাম্য সব মিলিয়ে একটি হাই-স্টেক, বহুমাত্রিক রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত যা বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ রাজনীতি নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
বেগম খালেদা জিয়ার গুরুতর স্বাস্থ্য সংকটে বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের জন্য বিস্তারিত কৌশলগত দিকনির্দেশনা। মির্জা ফখরুল, তারেক রহমান, রিজভীসহ সকল স্তরের নেতাদের দায়িত্ব, মিডিয়া ম্যানেজমেন্ট, গুজব নিয়ন্ত্রণ ও নির্বাচনী প্রস্তুতির সম্পূর্ণ রূপরেখা।
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান দেশের রাজনীতিতে একটি আলোচিত নাম হলেও তার জনসংযোগ কৌশলে সীমাবদ্ধতা দেখা যায়। তার কার্যক্রম প্রধানত ফেসবুক পোস্ট, লাইভ ভিডিও বা জুম কলে সীমাবদ্ধ থাকায় তিনি সাধারণ মানুষের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ স্থাপন করতে পারছেন না। মাঠপর্যায়ের সফর বা জনসভায় তার উপস্থিতি না থাকায় সাধারণ মানুষের কাছে তার একটি দূরবর্তী ইমেজ তৈরি হয়েছে। শুধুমাত্র সামাজিক মাধ্যমের ওপর নির্ভরশীল যোগাযোগ পদ্ধতি তাকে বাস্তব রাজনৈতিক মাঠ থেকে কিছুটা বিচ্ছিন্ন করে রেখেছে, যার ফলে তার নেতৃত্বের প্রভাব জনগণের মধ্যে গভীরভাবে প্রভাব রাখতে পারছে না।